স্টার্টআপ নিয়ে কিছু কথা

যখন এই আর্টিকেলটি লিখছি, তখন বাংলাদেশে ‘স্টার্টআপ’ ও ‘উদ্যোক্তা’ শব্দ দুটো নতুন। যদিও বর্তমানে (২০২১ ইংরেজি) খুব দ্রুত গতিতেই বাংলাদেশের তরুণ-তরুণীরা শব্দ দুটো সম্পর্কে জানতে শুরু করেছে।

কিন্তু বাংলাদেশ থেকে ভারত অনেক অনেক অংশে এগিয়ে এবং তারা স্টার্টআপের দিক দিয়েও অনেক এগিয়ে আছে।

 

আমি অনেকদিন থেকেই চেষ্টা করছি স্টার্টআপ নিয়ে গবেষনা করার। কিন্তু যাদেরকে পেয়েছি তারা গৎবাঁধা চাকরী আর পরিবার পরিকল্পনায় ব্যস্ত। তাদের ইচ্ছা-আকাঙ্খা-জীবনের চাহিদা সবই গৎবাঁধা। তারা স্টার্টআপ সম্পর্কে জানতে আগ্রহী কিন্তু নিজে সেই রাস্তায় হাটতে আগ্রহী নয়।

তাই, বাংলাদেশে স্টার্ট আপের সংখ্যা অনেক কম। আশা করছি সেই সংখ্যা দিনে দিনে বাড়বে, বাড়ছেও!

 

Lets talk Startup
Lets talk Startup

 

যাই হোক!

যেহেতু আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত, স্টার্টআপে অনেক এগিয়ে তাই আমি তাদের দেশের টেকনোলজি, তাদের দেশের স্টার্টআপের অবস্থা, বিজনেস ট্যাকটিকস খতিয়ে দেখার চেষ্টা করেছি। আর এতে আমার সাথে থেকেছে শুধুমাত্র গুগল।

কারণ এসব নিয়ে গবেষণায় আপনার পাশে ফ্রিতে কেউ সময় দেবে না!

সবাই ব্যস্ত! 🙂

 

আপনাদের সাথে আজকে একটি বিষয় নিয়ে কথা বলবো।

আর সেটা হচ্ছে, ভারতে ২০১৬ সাল পর্যন্ত যতগুলো স্টার্টআপ হয়েছে সেগুলোর অবস্থান কোথায়, কি কি ক্যাটাগরিতে তাদের স্টার্ট আপগুলো গড়ে উঠেছে, কত টাকা লেগেছে তাদের এই স্টার্টআপের দুনিয়ায় আর কেন তাদের এত স্টার্টআপ ফেল হচ্ছে!

আমি জানি, ভারতের স্টার্টআপ নিয়ে করা এই রিসার্চে অনেকেই ভাববেন,

“ভাই, আপনি বাংলাদেশের স্টার্টআপ গুলো নিয়ে কেন করছেন না বা করেন নি।”

তাদের জন্যে উত্তর হচ্ছে,

“বাংলাদেশের স্টার্টআপ নিয়ে গবেষনা করার জন্যে আমার কাউকে সাথে দরকার ছিলো আর প্রচুর তথ্যের দরকার ছিলো যেটা গুগলও আমাকে দিতে পারে নি। আর তাই, ভারত নিয়েই গবেষণা।”

 

 

প্রথম প্রশ্ন – ভারতে ২০১৬ সাল পর্যন্ত কতগুলো স্টার্টআপ গড়ে উঠেছে?

উত্তরঃ ভারতে ২০১৬ সাল পর্যন্ত প্রায় ৭০০০ এর মতো স্টার্টআপ গড়ে উঠেছে।

 

 

দ্বিতীয় প্রশ্নঃ ভারতের বেশিরভাগ (৯৫%) স্টার্টআপ গুলো কোন ক্যাটাগরীর বয়সের মানুষের জন্যে তৈরী হয়েছে বা হচ্ছে?

উত্তরঃ এইজ ক্যাটাগরী ওয়ান এর জন্যে!

বোঝেন নি?

এই প্রশ্নের উত্তর বোঝার জন্যে আপনাকে প্রথম ‘এইজ ক্যাটাগরী’ বোঝা লাগবে। সাধারণত যেকোন স্টার্টআপ মূলত চারটি এইজ ক্যাটাগরির যেকোনো একটির মধ্যে পড়ে।

বয়সের এই ক্যাটাগরী গুলো হচ্ছেঃ

ক্যাটাগরী ওয়ান/প্রথম ক্যাটাগরীঃ বয়স ১৫ থেকে ৬৫ বছর পর্যন্ত।
ক্যাটাগরী টু/দ্বিতীয় ক্যাটাগরীঃ বয়স ১৫ থেকে ৩৫ বছর পর্যন্ত।
ক্যাটাগরী থ্রি/তৃতীয় ক্যাটাগরীঃ বয়স ৩৫ থেকে ৫০ পর্যন্ত।
ক্যাটাগরী ফোর/চতুর্থ ক্যাটাগরীঃ বয়স ৫১ থেকে ৭০ পর্যন্ত।

আশা করি, এবার বুঝতে পারছেন, কোন বয়স ক্যাটাগরীর জন্যে ভারতের বেশিরভাগ স্টার্টআপ গুলো গড়ে উঠেছে!

 

 

Indian Startups
Indian Startups

 

 

তৃতীয় প্রশ্নঃ ভারতের বেশিরভাগ (৯০%) স্টার্টআপ গুলো কোন কোন ‘প্রব্লেম ক্যাটাগরি’তে পড়ছে?

উত্তরঃ ফুড টেকনোলজি, গ্রোসারী শপ, ই কমার্স, ফ্যাশন ডিজাইন টেকনোলজি, গেইমস, হোম ডেলিভারী সার্ভিস, শিক্ষামূলক, চ্যাটিং সার্ভিস ইত্যাদি।

এছাড়া আরো যেসব স্টার্ট আপ গুলো তৈরী হয়েছে বা হচ্ছে সেগুলো মূলত নিচের এইসকল ক্যাটাগরীর মধ্যেই তৈরী হচ্ছেঃ

আইন এবং সিকিউরিটি, খাবার এবং কৃষি, ভাষা, মেডিক্যাল সার্ভিস এবং স্বাস্থ্য, শিক্ষামূলক, অনলাইনে আয়, সরকারী ব্যবস্থা, অর্থনৈতিক ব্যবস্থা, যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং কমিউনিটি।

 

 

চতুর্থ প্রশ্নঃ ভারতে ২০১৬ সাল পর্যন্ত মোট কত ডলার ইনভেস্ট হয়েছে এইসব স্টার্টআপ গুলোতে?

উত্তরঃ ভারতে ২০১৬ সাল পর্যন্ত প্রায় ৭০০০ এর উপর সাক্সেসফুল স্টার্টআপ খোলা হয়েছে যেগুলোতে ইনভেস্ট করা হয়েছে প্রায় ৯০ মিলিয়ন ডলারের বেশি।

 

 

পঞ্চম প্রশ্নঃ ভারতে ২০১৬ সাল পর্যন্ত মোট কতটি স্টার্টআপ ফেল হয়েছে এবং কতটি স্টার্টআপ ২ বছরের বেশি সময় বাজারে টিকে থেকেছে?

উত্তরঃ ২০১৬ সাল পর্যন্ত, ভারতের স্টার্টআপ মার্কেটে প্রায় ৭০০০ এর মতো ইনভেস্টেড স্টার্টআপ ছিলো। যার মধ্যে ১ বছরের কম সময় টিকে থেকেছে ৮০% স্টার্টআপ, ২ বছরের কম কিন্তু ১ বছরের বেশি সময় বাজারে টিকে থেকেছে ১০% স্টার্টআপ এবং ৩ বছরের কম কিন্তু ২ বছরের বেশি সময় বাজারে টিকে থেকেছে ৫% স্টার্টআপ এবং মাত্র ৫% স্টার্টআপ ৩ বছরের বেশি সময় ধরে বাজারে টিকে থেকেছে।

অর্থাৎ, মোদ্দা কথা, ফেল হয়েছে প্রায় ৯০% স্টার্টআপ।

 

 

ষষ্ঠ প্রশ্নঃ কোন কোন সেক্টরে বা প্রব্লেম ক্যাটাগরিতে প্রায় ৯০% স্টার্টআপ ফেইল হয়েছে?

উত্তরঃ আমি প্রায় ৬০০-১০০০ স্টার্টআপের উপর পরীক্ষা করার পর যেটা বুঝলাম, প্রায় ৯০% স্টার্টআপ ফেল হয়েছ তিনটি ক্যাটাগরিতে। যেগুলো হচ্ছেঃ ফুড টেকনোলজি, গ্রোসারী শপ এবং ইকমার্স।

 

 

Why Startup Fails
Why Startup Fails

 

 

বাংলাদেশে সফল স্টার্টআপের সংখ্যা হাতে গোনা কয়েকটা। আর বাংলাদেশের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত, যেখানে প্রত্যেক ঘন্টায় একটি নতুন আইডিয়া সাবমিট হচ্ছে স্টার্ট আপের দুনিয়ায়, সেখানেও স্টার্ট আপের পতনের সংখ্যা অনেক বেশি!

কিন্তু কেন? স্টার্টআপ গুলোর পতন কেনো হচ্ছে?

সেটা নিয়েও কিছু কথা বলি চলুন!

একটি স্টার্টআপ কোম্পানির পতন হবার মূল কারণগুলো নিচে তুলে ধরার চেষ্টা করছি,

 

১. আমরা যখন একটি স্টার্টআপ এর আইডিয়া বাছাই করি তখন থেকে শুরু করে সেই আইডিয়া ইমপ্লিমেন্টেশন করা পর্যন্ত কয়েকটি বিশাল ধাপ আমাদের পার করে আসতে হয়।

এক্ষেত্রে আমরা যে ভুলটা করি সেটা হচ্ছে, আমরা সঠিক আইডিয়াই বাছাই করতে পারি নি! আমরা সঠিকভাব ইমপ্লিমেন্টেশনের দিকে এগুতে পারি নি। আমরা আমদের রিস্ক ম্যানেজমেন্ট সম্পর্কেও অজ্ঞ। অর্থাৎ, সঠিক জায়গায় প্রেসার দিতে পারি নি আমরা। আর এই কারনে প্রায় ৭% স্টার্ট আপ ফেল হয়।

 

২. আমরা প্রায়ই কোনো একটি আইডিয়ার পেছনে এতটা সময় ব্যয় করি কিংবা কোনো একটি আইডিয়ার ইমপ্লিমেন্টেশনে এতটা সময় ব্যয় করি যে, আমাদের ওয়ার্ক লাইফের সাথে আমাদের জীবনের বাকি পার্টগুলো ব্যালেন্স থাকে না! যার ফলে আমরা তাড়াতাড়ি পুড়ে যাই! আর এই কারনে প্রায় ৮% স্টার্টআপ ফেল হয়।

 

৩. স্টার্টআপ তৈরী করার পাশাপাশি আমাদের একটি নেটওয়ার্কও তৈরী করতে হয় এবং একই সাথে নেটওয়ার্কটি ব্যবহার করার ক্ষমতাও থাকতে হয় বা শিখতে হয়। কিন্তু আমরা তা করি না। আর নেটওয়ার্ক ব্যবহার করার অক্ষমতায় প্রায় ৮% স্টার্টআপ ফেল হয়।

 

৪. আইডিয়া তৈরী করলাম কিংবা আইডিয়া ধার নিলাম এবং কাজ শুরু করতে না করতেই আইনি ঝামেলা। এই আইনি ঝামেলার কারনে প্রায় ৮% স্টার্টআপ ফেল হয়।

 

৫. আইডিয়া আছে, সব সমস্যার সমাধান আছে কিন্তু ইনভেস্টর নেই কিংবা অর্থনৈতিক সমস্যা। আর এই সমস্যার কারনে প্রায় প্রায় ৮% স্টার্টআপ ফেল হয়ে যায়।

 

৬. একটি আইডিয়া হয়তো শুধুমাত্র একটি নির্দিষ্ট এলাকার জন্যে হতে পারে কিংবা শুধুমাত্র একটি দেশের জন্যে হতে পারে কিংবা শুধুমাত্র একটি মহাদেশের জন্যে হতে পারে কিংবা সারা পৃথিবীর জন্যেই হতে পারে।

অনেক ক্ষেত্রেই এই বিষয়টা সম্পর্কে রিসার্চ না করে, কোথায় কোন প্রজেক্ট শুরু করা উচিত হবে সেটা না ভেবেই কাজ করার জন্যে প্রায় ৯% স্টার্টআপ ফেল হয়।

 

৭. শুধুমাত্র টাকা চাই, শুধুমাত্র ব্যবসা করতে চাই কিংবা যা দেখেছে, যেখানে লাভ দেখেছি সেখানে দৌড় দিয়েছি। এইসব কারনে প্যাশন থাকে না। আর প্যাশন না থাকার কারনে প্রায় ৯% স্টার্টআপ ফেল হয়।

 

৮. টিম তৈরী করা হয়েছে কিন্তু সেই টিমের মধ্যে যদি সম্প্রীতি না থাকে, কাজ করার সময় একজনের আরেকজনের প্রতি ভালোবাসা না থাকে এবং টিমের ভেতর যদি কোন্দল লেগেই থাকে তাহলে স্টার্টআপ সফল হতে পারে না। এই কারনে প্রায় ১৩% স্টার্টআপ ফেল হয়।

 

৯. আমরা প্রায়ই দেখি, একটা বিষয় নিয়ে কাজ করতে করতে আমরা অন্য বিষয়ে চলে যাই। আর ধীরে ধীরে মূল বিষয় থেকে অনেক দূরে চলে আসি আমরা। প্রায় ১৩% স্টার্টআপ ফেইল হবার একটা বিশেষ কারণ হচ্ছে, ফোকাস অন্যদিকে চলে যাওয়া!

 

১০. কাস্টোমার, ভিজিটর, ভিউয়ার এবং ইউজারদের প্রতি দৃষ্টি না রেখেই, তারা কি চাচ্ছে সেদিকে খেয়াল না দিয়েই কোনো স্টার্টআপ চালিয়ে গেলে সেটা তো ফেল হবেই। এই কারনে প্রায় ১৬% স্টার্টআপ ফেল হয়।

 

১১. মার্কেটিং যেকোন কিছুর জন্যেই খুবই দরকারি একটি অংশ। সেটা ডিজিটাল মার্কেটিং হোক কিংবা অফলাইন মার্কেটিং-ই হোক। মার্কেটিং করাটা খুবই জরুরী আর সঠিক মার্কেটিং করাটা আবশ্যম্ভাবি।

সঠিক মার্কেটিং না করার কারনে এবং সঠিক স্ট্র্যাটেজি মেনে মার্কেটিং না করার কারনে প্রায় ১৬% স্টার্টআপ ফেইল হয়।

 

১২. ব্যবসা করবো, ব্যবসা করছি। কিন্তু সঠিক বিজনেস মডেল নেই। যার ফলে হয়তো এক বছর কোনরকমে চলে গেলাম কিন্তু তারপর যখন কাস্টোমার বাড়বে তখন মনে হবে যে একটি সুন্দর বিজনেস মডেল না থাকলে কি কি ক্ষতি হয়। আর এই কারনে প্রায় ১৭% স্টার্টআপ ফেল হয়।

 

১৩. কাস্টমারের যেসকল প্রোডাক্ট দরকার নেই, ইউজারের যেসকল সার্ভিস দরকার নেই সেগুলো দিয়ে ভরিয়ে দিয়েছেন আপনার ব্যবসা। তাহলে ব্যবসা চলবে কীভাবে?

ইউজার ফ্রেন্ডলি পণ্য না থাকার কারনে প্রায় ১৭% স্টার্টআপ ফেল হয়।

 

১৪. একটি পণ্যের দাম নির্বাচন করার সময় কম্পিটিটর, কাস্টোমার ক্যাটাগরি এবং আরো বিশেষ কিছু দিক বিবেচনা করা তারপর দাম নির্বাচন করতে হয়। একটি পণ্যের সঠিক এবং একিউরেট দাম নির্বাচন করতে অসফল হওয়ায় প্রায় ১৮% স্টার্টআপ ফেল হয়।

১৫. যেকোন ব্যবসা কিংবা উদ্যোগের অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় হচ্ছে, কম্পিটিশনে টিকে থাকা। আপনাকে অবশ্যই সবসময় কম্পিটিশনে টিকে থাকতে হবে আর সেজন্যে আপনার কম্পিটিটর থেকে ভালো সার্ভিস, কোয়ালিটি সম্পন্ন সার্ভিস এবং দাম, তাছাড়া আরো বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিকে খেয়াল রেখে তারপরে সামনে এগুতে হবে।

আর এটা করতে না পারা কারনে অর্থাৎ আউটকম্পিটেড হয়ে যাবার কারনে প্রায় ১৯% স্টার্টআপ ফেল হয়।

 

১৬. টিমে কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু তারপরেও স্টার্টআপ সঠিকভাবে বেড়ে উঠছে না।

কেন? কারণ, আপনার টিমের মেম্বাররা সঠিক নয়। অর্থাৎ আপনার স্টার্টআপ টিম সঠিক নয়। আর এই কারনে প্রায় ২৩% স্টার্টআপ ফেল হয়।

 

১৭. ইনভেস্ট নিয়েছেন। কাজ শুরু করে দিয়েছেন। কিন্তু কাজ কমপ্লিট করার পূর্বেই কিংবা প্রোডাক্ট কিছুদিন বাজারে চলতে না চলতেই আপনার ক্যাশ টাকা ফুরিয়ে গেলো। এটা বেশ বড় একটা প্রব্লেম। আর এই কারনে প্রায় ২৯% স্টার্টআপ ফেল হয়ে যায়।

 

১৮. সবচেয়ে ভয়ানক আর সবচেয়ে বড় যে ভুলটা আমরা করে থাকি স্টার্টআপ ওপেন করতে গিয়ে সেটা হচ্ছে, আমরা এমন একটি স্টার্ট আপ আইডিয়া নিয়ে আসি যেটার হয়তো মার্কেটে এখন দরকারই নেই কিংবা কম্পিটিশন অনেক অনেক বেশি কিংবা ভবিষ্যতের প্রোডাক্ট এখনি চালানোর চেষ্টা করছি।

মার্কেটে দরকার না থাকার কারনে, আমরা আমাদের উদ্যোগটা ঠিকমতো চালাতেই পারি না। অর্থাৎ, মানুষ খায় না! আর এই কারনে প্রায় ৪৯% স্টার্টআপ ফেল হয়।

 

Start Up
Start Up

 

একটি স্টার্ট আপ ফেইল হবার জন্যে উপরের যেকোনো একটি বা একাধিক কারন যথেষ্ট।

উপরের সমস্যাগুলো সমাধান করে যদি ঠিকমতো কাজ চালিয়ে যেতে পারেন তাহলে আশা করা যায় বেশ ভালোভাবেই একটি স্টার্ট আপ রান করানো সম্ভবপর হবে!

 

আপনার যদি একটি স্টার্টআপ থেকে থাকে কিংবা আপনি যদি কোনো আইডিয়া নিয়ে স্টার্টআপ দেয়ার প্ল্যান করেন, তাহলে আপনার কিন্তু মার্কেটিংয়ের প্রয়োজন অনেক অনেক অনেএএএক বেশি!

এই ব্যাসিক মার্কেটিং কোর্সটি করে ফেলুনঃ ফ্রি মার্কেটিং কোর্স!

তারপর আপনাকে আরো অ্যাডভান্সড লেভেলে যেতে হবে! সেটা একেবারে পানির মতো করে আরো প্রায় ১৫০০০ শিক্ষার্থীর সাথে শিখতে চাইলে এই কোর্সটিতে এনরোল করে ফেলতে পারেনঃ ডিজিটাল মার্কেটিং প্রফেশনাল কোর্স

 

টাটা!

By Muntasir Mahdi

Author, Marketer, Entrepreneur, Content Creator

2 comments

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *